January 14, 2026, 10:17 pm
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রামে তারেক রহমানের জন্মদিনে ৪ সহস্রাধিক মানুষকে ফ্রী চিকিৎসাসেবা ও খাবার বিতরণ  কুড়িগ্রামে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অনিয়ম-দূর্নীতিমুক্ত ক্যাম্পাস সহ প্রিন্সিপালের পদত্যাগের দাবীতে কুড়িগ্রাম টিএসসি’র শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ভাইরাল প্রতিবেদনের পর সাড়া: নাজনীনকে চিকিৎসার দায়িত্বে তারেক রহমান জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট বৈশ্বিক জলবায়ু আন্দোলনের অংশ হিসেবে বেতাগীতে গ্রিন পিসের মানববন্ধন ও সমাবেশ কুড়িগ্রামে মালিকানা জমি খাস-খতিয়ানে রেকর্ড করে ইজারাদার দিয়ে মাছ চাষ করার প্রতিবাদে মানববন্ধন রাজবাড়ীতে মানবিক সংগঠনের উদ্যোগে কম্বল, হুইল চেয়ার, গবাদিপশু বিতরণ ও সোলার লাইট স্থাপন কুড়িগ্রাম-৪ আসন: বিএনপির মনোনয়নের দাবিতে বঞ্চিত প্রার্থী মমতাজের কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ পুরান ঢাকায় জবি ছাত্রদলের  আহবায়ক সদস্য খুন

বৃষ্টি ও উজানের ঢলে তিস্তায় ফের পানি বৃদ্ধি, বন্যার শঙ্কা

নয়া বাংলাদেশ ডেস্ক

বৃষ্টি ও উজানের ঢলে তিস্তায় পানি আবারও বেড়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ৬টায় হাতীবান্ধা উপজেলার ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। সন্ধ্যা ৬টায় তা কমে বিপৎসীমার নিচে নেমে যায়। পানির প্রবাহ বাড়তে থাকায় তিস্তা ব্যারাজের ভাটিতে থাকা হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করে। তলিয়ে যায় আমন ধানসহ অন্যান্য ফসলের ক্ষেত। পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, রোববার গভীর রাত থেকে তিস্তায় পানি বাড়তে থাকে। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলোয় পানি উঠে যায়। গোবর্ধন এলাকার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বাহে, চলতি বছরে চারবার বন্যা হইল। ঘরবাড়ি তলে যাচ্ছে।’ নদীপারের মানুষ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানান।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি থাকার আশঙ্কা থাকায় নিম্নাঞ্চলগুলোতে স্বল্পমাত্রার বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। জেলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার রায় জানান, উজানে বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তার পানি বাড়ছে। পানি ওঠানামার কারণে কোথাও কোনো ভাঙন দেখা দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিধান হালদার জানান, পানি সাময়িক বাড়লেও শঙ্কা নেই। বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে প্রশাসন সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে।

পানি বাড়ার খবরে তিস্তার দুই পারের মানুষের মাঝে আবারও বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এখনও আতঙ্কে রয়েছে প্রায় ১২ হাজার পরিবার। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার সকাল ৬টার দিকে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানির স্তর রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৮ সেন্টিমিটার। ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, গয়াবাড়ি, খালিশা চাপানী ও ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ১৫টি গ্রাম ও চরাঞ্চলের অনেকে পরিবারসহ গবাদি পশু নিয়ে নিরাপদ স্থলে আশ্রয় নেন।

পাউবোর ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সব জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। পানি কমলেও যে কোনো সময় পানি বিপৎসীমার ওপরে উঠতে পারে।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের সাথেই থাকুন