January 14, 2026, 10:15 pm
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রামে তারেক রহমানের জন্মদিনে ৪ সহস্রাধিক মানুষকে ফ্রী চিকিৎসাসেবা ও খাবার বিতরণ  কুড়িগ্রামে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অনিয়ম-দূর্নীতিমুক্ত ক্যাম্পাস সহ প্রিন্সিপালের পদত্যাগের দাবীতে কুড়িগ্রাম টিএসসি’র শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ভাইরাল প্রতিবেদনের পর সাড়া: নাজনীনকে চিকিৎসার দায়িত্বে তারেক রহমান জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট বৈশ্বিক জলবায়ু আন্দোলনের অংশ হিসেবে বেতাগীতে গ্রিন পিসের মানববন্ধন ও সমাবেশ কুড়িগ্রামে মালিকানা জমি খাস-খতিয়ানে রেকর্ড করে ইজারাদার দিয়ে মাছ চাষ করার প্রতিবাদে মানববন্ধন রাজবাড়ীতে মানবিক সংগঠনের উদ্যোগে কম্বল, হুইল চেয়ার, গবাদিপশু বিতরণ ও সোলার লাইট স্থাপন কুড়িগ্রাম-৪ আসন: বিএনপির মনোনয়নের দাবিতে বঞ্চিত প্রার্থী মমতাজের কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ পুরান ঢাকায় জবি ছাত্রদলের  আহবায়ক সদস্য খুন

১২০ বছরের স্কুলে যেতে নৌকাই ভরসা, ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত শিক্ষার্থীদের

গোলাম কিবরিয়া ( রাজশাহীর জেলা প্রতিনিধি )

সমতল ভূমি থেকে ৩২ ফুট গভীর নদী। আর নদীর কোল ঘেঁষেই ১২০ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয় বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও ভালো। কিন্তু যোগাযোগ ব্যবস্থা বেহাল। নদীর একপাশ থেকে আরেক পাশে যেতে ঘুরতে হয় দূরের পথ। আবার ডিঙি নৌকায় যাওয়া যায় সহজেই। এতে থাকে চরম ঝুঁকি। তবুও নদী পার হয়ে বিদ্যালয়ে যায় শিক্ষার্থীরা।

রাজশাহী জেলার মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার এলাকায় বিদ্যালয়টি অবস্থিত। ১৯০৫ সালে শিব নদীর কোল ঘেঁষে নওগাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ঝুঁকি নিয়ে ডিঙি নৌকায় চড়ে ওই নদী পার হয়ে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘ ১২০ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের চলমান উন্নয়নের সঙ্গে বিদ্যালয়টিতে যাওয়ার পথের তেমন উন্নয়ন হয়নি। নৌকায় যাতায়াত না করলে তাদের প্রায় ৪ কিলোমিটার পথ ঘুরতে হয়। আবার সেই পথের অবস্থাও বেহাল। বৃষ্টি হলে দূরের সেই পথে থাকে কাঁদা। শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, নওগাঁ, মালিদহ ও গোপইল গ্রামের মানুষের এমন ভোগান্তি নিত্যদিনের সঙ্গী।

ওই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আব্দুল আলিম বলে, আমার বাড়ি নদীর ওই পাড়ে মালিদহ গ্রামে। আর নদীর এই পাড় নওগাঁ গ্রামে বিদ্যালয়। অনেক সময় বৃষ্টি হলে নৌকায় চড়ার জন্য নদীতে নামতে গিয়ে পড়ে যাই। আবার নৌকা থেকেও পড়ে যাই। এ সময় আমাদের বই-খাতা পানিতে ভিজে যায়। শরীরে ব্যাথা পাই, এতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়।

আরেক শিক্ষার্থী আলিশা বলে, আমরা যখন নদী পার হয়ে নৌকায় চড়ে বিদ্যালয়ে আসি, তখন অনেক ভয় লাগে। কারণ অনেক সময় নদী ভরা থাকে, আবার স্রোতও থাকে। তখন নৌকা থেকে পড়ে গেলে আমাদের বই-খাতা ভিজে যায়। আমরা বড়, সাঁতরাতে পারি আবার সেসময় চিৎকার করলে অভিভাবকরা এগিয়ে এসে আমাদের উদ্ধার করে। কিন্তু ছোট ভাই বোনেরা সাঁতরাতেও পারে না, জোড়ে চিৎকার করতেও পারে না। এজন্য এখানে আমরা একটা সেতু চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের সাথেই থাকুন