January 18, 2026, 3:23 am
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রামে তারেক রহমানের জন্মদিনে ৪ সহস্রাধিক মানুষকে ফ্রী চিকিৎসাসেবা ও খাবার বিতরণ  কুড়িগ্রামে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অনিয়ম-দূর্নীতিমুক্ত ক্যাম্পাস সহ প্রিন্সিপালের পদত্যাগের দাবীতে কুড়িগ্রাম টিএসসি’র শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ভাইরাল প্রতিবেদনের পর সাড়া: নাজনীনকে চিকিৎসার দায়িত্বে তারেক রহমান জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট বৈশ্বিক জলবায়ু আন্দোলনের অংশ হিসেবে বেতাগীতে গ্রিন পিসের মানববন্ধন ও সমাবেশ কুড়িগ্রামে মালিকানা জমি খাস-খতিয়ানে রেকর্ড করে ইজারাদার দিয়ে মাছ চাষ করার প্রতিবাদে মানববন্ধন রাজবাড়ীতে মানবিক সংগঠনের উদ্যোগে কম্বল, হুইল চেয়ার, গবাদিপশু বিতরণ ও সোলার লাইট স্থাপন কুড়িগ্রাম-৪ আসন: বিএনপির মনোনয়নের দাবিতে বঞ্চিত প্রার্থী মমতাজের কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ পুরান ঢাকায় জবি ছাত্রদলের  আহবায়ক সদস্য খুন

পোড়া শরীর নিয়ে বের হয়ে শিশুটি বলল–‘ভাইয়া আমাকে ধরো’

নয়া বাংলাদেশ ডেস্ক

রোবাইদা নূর আলবিরা মাইলস্টোনের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী। পোড়া শরীর নিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে বেরিয়ে আসে শিশুটি। আলবিরা এমন অবস্থা থেকে ওকে বাঁচাতে এগিয়ে যায় একাদশ শ্রেণির ছাত্র সায়েম খান।

সোমবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সায়েম খান বলেন, ‘হঠাৎ বিকট শব্দ। দেখি আগুন জ্বলছে। এতো আগুন যে কাছে যাওয়ার মতো অবস্থা ছিল না। এর মধ্যে একটা বাচ্চাকে এগিয়ে আসতে দেখি। আমাকে দেখে ও বলছিল–ভাইয়া আমাকে ধরো। কাছে এগিয়ে যেতেই আমার কাঁধের ওপর পড়ে যায়। ওর আইডি কার্ড আমি আমার কাছে রাখি। রিকশায় উঠে যখন হাসপাতালে রওনা দিই, তখন আরেক আন্টি বলছিলেন– বাবা আমার মেয়েকে হাসপাতালে নেও। দু’জন রিকশায় নিয়ে উত্তরায় একাধিক হাসপাতাল ঘুরতে থাকি। কোথাও তেমন চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেনি। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে আলবিরাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে আসি।’

ঢাকা মেডিকেলে আলবিরার মা রওশন ইয়াসমিনের সঙ্গে কথা হয়। তিনি সমকালকে বলেন, সায়েম না বাঁচালে আমার মেয়ের কী হতো জানি না। ওকে আগে থেকে চিনি না। স্কুলের বড় ভাই হিসেবে সায়েম যে উদাহরণ তৈরি করেছে তা আমাদের পরিবারের জন্য আশর্বীদ।

ঢামেকের বার্ন ইউনিটের পঞ্চম তলায় চিকিৎসাধীন আলবিরা। শিশুটির মায়ের কাছ থেকে ‘বিদায়’ নিচ্ছিলেন সায়েম। এসময় আলবিরার স্কুলের আইডি কার্ড তার মায়ের হাতে তুলে দেন। সায়েম বললেন–‘আন্টি এখন বাসায় যাচ্ছি। আবার আলবিরার খোঁজ নিতে আসব।’ এসময় চোখের কোনা অশ্রুসিক্ত আলবিরার মায়ের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের সাথেই থাকুন