নরসিংদীর রায়পুরার চরাঞ্চলে সোমবার সংঘর্ষে এক নারী নিহতের পর সেনা, পুলিশ ও র্যাবের যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুরে নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হান্নান সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার সোহেল মিয়া (৩৭) শ্রীনগর গ্রামের মৃত নূরুল ইসলামের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে ৪টি হত্যা মামলা, ২টি অস্ত্র মামলা এবং আরও ৬টি মামলা মিলিয়ে মোট ১২টি মামলা রয়েছে।
পুলিশ সুপার জানান, সোমবার বিকেলে রায়পুরার শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়েদাবাদ এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গোলাগুলির ঘটনায় মোমেনা বেগম (৪৫) নিহত হন এবং তিনজন আহত হন। এ ঘটনার পর সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবের সমন্বয়ে সন্ত্রাসীদের ধরতে সাড়াশী অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের সময় মেঘনা নদী দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে শ্রীনগর বাজারঘাট এলাকা থেকে সোহেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১টি এসবিবিএল একনালা বন্দুক, ৪টি একনালা দেশীয় বন্দুক, ২টি সিলভার কালারের ম্যাগাজিন, ৩০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ৪ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ১২টি শর্টগানের শিসা কার্তুজ, মোবাইল ফোন ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দেন ৫৬ ইবি নরসিংদী আর্মি ক্যাম্পের মেজর ইব্রাহীম আব্দুল্লাহ আসাদ। পুলিশের নেতৃত্ব দেন রায়পুরা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বায়েজিদ বিন মনসুর এবং র্যাবের নেতৃত্ব দেন নরসিংদী র্যাব ক্যাম্প কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল রানা।