সারা বাংলাদেশ

প্রকাশ্যে ছিনতাইয়ে ঘটনা ধরা পড়ল সাংবাদিকের ক্যামেরায়, ভিডিও দেখে ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার

সড়কের এক পাশে সালাম দিয়ে দাঁড় করায় রিকশা। এরপর ওই রিকশা ঘিরে ধরে দুই ব্যক্তি। ধারালো ছুরি দেখিয়ে রিকশায় থাকা যাত্রীকে বলে টাকা বের করতে। একপর্যায়ে ওই বৃদ্ধের পকেটে থাকা ৫০০ টাকা জোর করে ছিনিয়ে নেয় তারা। এরপর সটকে পড়ে এলাকা থেকে। তবে এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় পুলিশের হাতে ধরা পড়ে একজন।


ঘটনাটি ঘটে গতকাল শনিবার বেলা সোয়া একটায় চট্টগ্রাম নগরের ২ নম্বর গেট এলাকায়। দূর থেকে ছিনতাইয়ের দৃশ্যটি ভিডিও করেন এক সাংবাদিক। পরে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে নগরের পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী।


এ ঘটনার পর ভিডিও থেকে আসামিদের শনাক্ত করে পুলিশ। এরপর অভিযান চালিয়ে আজ রোববার ভোর চারটার দিকে হামজারবাগ এলাকা থেকে জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম মো. শাকিল আহম্মদ প্রকাশ সাজু (৪৮)। তিনি হামজারবাগ এলাকার মৃত হাজি শাহ আলমের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক আইনসহ নানা অপরাধে নগরের বিভিন্ন থানায় ১০টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত মো. আলমগীর (৪৫) নামের আরও একজন পলাতক। তাঁর বাড়ি সাতকানিয়া পৌরসভার ছমদর পাড়া এলাকায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে ৯টি মামলা রয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. শাকিল আহম্মদ প্রকাশ সাজু (৪৮)
ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. শাকিল আহম্মদ প্রকাশ সাজু (৪৮)
ছবি: পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া।

ছিনতাইয়ের ওই ঘটনার ভিডিও ধারণকারী দৈনিক পূর্বকোণ–এর জ্যেষ্ঠ ফটোসাংবাদিক মিয়া আলতাফ প্রথম আলোকে বলেন, ‘তারা সালাম দিয়ে রিকশা দাঁড় করিয়ে এক বৃদ্ধাকে প্রশ্ন করছিল। আমি আর আমার এক সহকর্মী এগিয়ে গিয়ে জানতে চাইলে তারা আমাদের পাল্টা প্রশ্ন করে। পরে ছিনতাইকারী বলে ডাক দিলে তারা দৌড়ে পালায়।’


পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোলাইমান এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গ্রেপ্তার সাজু ষোলশহরে রিকশা থামিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা অব্যাহত আছে। উভয় আসামির বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই ও অস্ত্রসংক্রান্তে একাধিক মামলা রয়েছে।





মতামত দিন